ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২
সংবাদ শিরোনাম ::
কাশিমপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ১৫ আগস্ট পালিত কাউন্সিলর সাইজুউদ্দিন মোল্লা! এডভোকেট আতিকের খুনি গাজীপুর কাশেমপুরে থানাধীন এলাকায় আগে ককটেল পরে  ফিল্মি স্টাইলে ডাকাতি আশুলিয়া দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৭৭ তম জন্মবার্ষিকী পালিত ট্রেনের ছাদে যাত্রী, মানছে না নিয়ম ট্রেনের ছাদে যাত্রী নেয়া নিষেধ থাকলেও, হরহামেশা যাত্রী উঠেই যাচ্ছেন গাজীপুরে নবীণ প্রবীণ সংঘের উদ্দোগে ১৫ ই আগস্ট জাতিয় শোক দিবস (২০২২)এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বেনাপোলে “সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড” এর মেট্রো শাখা উদ্বোধণ আশুলিয়ায় সাইদুর রহমান এর আয়োজনে ১৫ ই আগস্ট (২০২২) জাতিয় শোক দিবসে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত কাশেমপুর ভাঙ্গা ব্রিজের জন্য শত শত মানুষের দুর্ভোগ পাঁচবিবিতে বসত বাড়ী ফিরে পেতে মানববন্ধন

মাদারীপুরে অবাধে ভরাট হচ্ছে প্রাকৃতিক জলাধার

মোঃ মাহামুদুল হাসান, প্রতিনিধি।।

মাদারীপুর প্রাকৃতিক জলাধার যা পরিবেশের অন্যতম প্রধান একটি উপাদান। এক সময় মাদারীপুর জেলা ছিল প্রাকৃতিক জলাধারে পরিপূর্ণ একটি জেলা। নদী, পুকুর, খাল- বিল ও বাওড়ে ভরপুর ছিল জেলাটি। কিন্তু কালের বিবর্তনে অবাধে ভরাট হয়ে যাচ্ছে এসব প্রাকৃতিক জলাধার। মানুষ তাদের প্রয়োজনে- অপ্রয়োজনে ভরাট করে ফেলছে জলাধারগুলো। যা পরিবেশের জন্য হয়ে উঠছে হুমকিস্বরূপ। জলাধারগুলো ভরে গড়ে তোলা হচ্ছে ঘর- বাড়ি অফিসসহ বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামো।  জেলায় কয়েক বছর আগেও যে পরিমাণ প্রাকৃতিক জলাধার ছিল এখন তা অনেক কমে গিয়েছে। স্থানীয় নদীগুলোর থেকে অবৈধভাবে ড্রেসিং মেশিনের সাহায্যে পুকুর, ডোবা, নালা ভরাট কার্যক্রম চলছে অবাধে। যার ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিনষ্ট হয়ে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা দেখা দিচ্ছে। জেলার সদর,রাজৈর,কালকিনি ও শিবচরে বিধিবহির্ভূতভাবে অনেক জলাধার বালু ও মাটি দিয়ে ভরাট করে ঘরবাড়ি, দোকানপাটসহ নানা স্থাপনা নির্মাণ করছেন বাসিন্দারা। প্রাকৃতিক এসব জলাধার গুলো ভরাট করায় বাড়ছে জলাবদ্ধতা ও বন্যার আশঙ্কা। স্থানীয়দের মতে, আট- দশ বছর ধরে এসব প্রাকৃতিক জলাধার ভরাটের অবাধ প্রতিযোগিতা চলছে। উল্লেখ্য, প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন -২০০০ অনুযায়ী পুকুর,  জলাশয়, নদী, খাল ইত্যাদি ভরাট করা বেআইনি। কিন্তু তারপরেও আইন না মেনে প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে চলছে জলাভূমি ভরাট। স্থানীয় পরিবেশ উন্নয়ন কর্মীরা  বলেন, পরিবেশ ও মানুষ উভয়ের জন্যই প্রাকৃতিক জলাধার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যেমন কোথাও অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে অগ্নিনির্বাপণের জন্য প্রয়োজন এসব জলাধার। এছাড়াও মানুষের দৈনন্দিন কাজের জন্যও ব্যবহৃত হয় জলাধারগুলো। এ প্রসঙ্গে তারা আরও বলেন, প্রাকৃতিক জলাধার ভরাট মোটেও ভালো লক্ষন নয়। কারন তা পরিবেশ বিপর্যয় ডেকে আনে, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করে এবং পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করে। তাই প্রাকৃতিক জলাধার গুলো সংরক্ষণের জন্য সবাইকে সচেতন হওয়ার  এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

আরো খবর.......
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাশিমপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ১৫ আগস্ট পালিত

মাদারীপুরে অবাধে ভরাট হচ্ছে প্রাকৃতিক জলাধার

আপডেট টাইম : ০৩:৫৯:৪০ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১

মোঃ মাহামুদুল হাসান, প্রতিনিধি।।

মাদারীপুর প্রাকৃতিক জলাধার যা পরিবেশের অন্যতম প্রধান একটি উপাদান। এক সময় মাদারীপুর জেলা ছিল প্রাকৃতিক জলাধারে পরিপূর্ণ একটি জেলা। নদী, পুকুর, খাল- বিল ও বাওড়ে ভরপুর ছিল জেলাটি। কিন্তু কালের বিবর্তনে অবাধে ভরাট হয়ে যাচ্ছে এসব প্রাকৃতিক জলাধার। মানুষ তাদের প্রয়োজনে- অপ্রয়োজনে ভরাট করে ফেলছে জলাধারগুলো। যা পরিবেশের জন্য হয়ে উঠছে হুমকিস্বরূপ। জলাধারগুলো ভরে গড়ে তোলা হচ্ছে ঘর- বাড়ি অফিসসহ বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামো।  জেলায় কয়েক বছর আগেও যে পরিমাণ প্রাকৃতিক জলাধার ছিল এখন তা অনেক কমে গিয়েছে। স্থানীয় নদীগুলোর থেকে অবৈধভাবে ড্রেসিং মেশিনের সাহায্যে পুকুর, ডোবা, নালা ভরাট কার্যক্রম চলছে অবাধে। যার ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিনষ্ট হয়ে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা দেখা দিচ্ছে। জেলার সদর,রাজৈর,কালকিনি ও শিবচরে বিধিবহির্ভূতভাবে অনেক জলাধার বালু ও মাটি দিয়ে ভরাট করে ঘরবাড়ি, দোকানপাটসহ নানা স্থাপনা নির্মাণ করছেন বাসিন্দারা। প্রাকৃতিক এসব জলাধার গুলো ভরাট করায় বাড়ছে জলাবদ্ধতা ও বন্যার আশঙ্কা। স্থানীয়দের মতে, আট- দশ বছর ধরে এসব প্রাকৃতিক জলাধার ভরাটের অবাধ প্রতিযোগিতা চলছে। উল্লেখ্য, প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন -২০০০ অনুযায়ী পুকুর,  জলাশয়, নদী, খাল ইত্যাদি ভরাট করা বেআইনি। কিন্তু তারপরেও আইন না মেনে প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে চলছে জলাভূমি ভরাট। স্থানীয় পরিবেশ উন্নয়ন কর্মীরা  বলেন, পরিবেশ ও মানুষ উভয়ের জন্যই প্রাকৃতিক জলাধার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যেমন কোথাও অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে অগ্নিনির্বাপণের জন্য প্রয়োজন এসব জলাধার। এছাড়াও মানুষের দৈনন্দিন কাজের জন্যও ব্যবহৃত হয় জলাধারগুলো। এ প্রসঙ্গে তারা আরও বলেন, প্রাকৃতিক জলাধার ভরাট মোটেও ভালো লক্ষন নয়। কারন তা পরিবেশ বিপর্যয় ডেকে আনে, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করে এবং পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করে। তাই প্রাকৃতিক জলাধার গুলো সংরক্ষণের জন্য সবাইকে সচেতন হওয়ার  এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।