ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি কিশোরী ধর্ষণের শিকার

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : ০২:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০২৩
  • / ১৪৯ ৫০০০.০ বার পাঠক

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী

উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের সন্ধ্যাকুড়া গ্রামে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি (১৩) বছর বয়সী এক কিশোরী ৩ সন্তানের জনক সুজন ওরফে মকস্ কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষক
সুজন একই গ্রামের মৃত দুদু প্রামানিকের ছেলে। গত ১ মার্চ বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

ধর্ষণের শিকার বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি কিশোরীর পরিবার সুত্রে জানা গেছে, বুধবার পড়ন্ত বিকেলে সন্ধ্যার পূর্বে বাড়ীর পাশে শিম ক্ষেতের আইলে ছাগলকে ঘাস খাওয়াতে থাকে। এমন সময় সুজন ওরফে মকস্ ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ওই কিশোরী ধষর্ণের বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে বুধবার রাতেই ধর্ষিতার পিতা থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ মনিরুল আলম ভুইয়া’র নির্দেশে রাতেই এসআই তোফাজ্জল হোসেন সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ ধর্ষক সুজনের বাড়ীতে অভিযান চালান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সুজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে ঝিনাইগাতী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে ২ মার্চ বৃহস্পতিবার সকালে ঝিনাইগাতী থানায় ধর্ষণের অভিযোগে সুজনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি দ্রুততার সাথে এফআইআর করেন থানা কর্তৃপক্ষ।

এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ মনিরুল আলম ভুইয়া সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে মামলাটি রজু হয়েছে। ধর্ষিতাকে ডাক্তারী পরিক্ষার জন্যে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অপরদিকে আসামী পলাতক থাকায় তাকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি কিশোরী ধর্ষণের শিকার

আপডেট টাইম : ০২:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০২৩

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী

উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের সন্ধ্যাকুড়া গ্রামে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি (১৩) বছর বয়সী এক কিশোরী ৩ সন্তানের জনক সুজন ওরফে মকস্ কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষক
সুজন একই গ্রামের মৃত দুদু প্রামানিকের ছেলে। গত ১ মার্চ বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

ধর্ষণের শিকার বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি কিশোরীর পরিবার সুত্রে জানা গেছে, বুধবার পড়ন্ত বিকেলে সন্ধ্যার পূর্বে বাড়ীর পাশে শিম ক্ষেতের আইলে ছাগলকে ঘাস খাওয়াতে থাকে। এমন সময় সুজন ওরফে মকস্ ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ওই কিশোরী ধষর্ণের বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে বুধবার রাতেই ধর্ষিতার পিতা থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ মনিরুল আলম ভুইয়া’র নির্দেশে রাতেই এসআই তোফাজ্জল হোসেন সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ ধর্ষক সুজনের বাড়ীতে অভিযান চালান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সুজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে ঝিনাইগাতী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে ২ মার্চ বৃহস্পতিবার সকালে ঝিনাইগাতী থানায় ধর্ষণের অভিযোগে সুজনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি দ্রুততার সাথে এফআইআর করেন থানা কর্তৃপক্ষ।

এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ মনিরুল আলম ভুইয়া সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে মামলাটি রজু হয়েছে। ধর্ষিতাকে ডাক্তারী পরিক্ষার জন্যে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অপরদিকে আসামী পলাতক থাকায় তাকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।