ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
ঘুসের টাকা নিতে বিকাশ নাম্বার দিয়ে যান পিডিবির প্রকৌশলী ব্যাংককে ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক গঠনমূলক সম্পর্ক নষ্ট করে এমন বক্তব্য এড়িয়ে চলার আহ্বান মোদির বিমসটেক সদস্য দেশগুলোকে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার মৃত সন্তান প্রসবে বাংলাদেশ এখনো দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার নবীনগরে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যৌথ বাহিনী মোতায়েন জেলা ও ইউনিয়ন নগরজুড়ে ছোট নেতার বড় পোস্টার ডা. বোরহানে অবৈধ সিন্ডিকেটে দুর্ভোগের শিকার রোগীরা বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা-মারধর, গ্রেপ্তার ৩ থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

পুরাতন ভারানী খাল এখন যেন সমতল ভূমি

সময়ের কন্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : ০৩:০৪:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • / ২৯৩ ৫০০০.০ বার পাঠক
  • নিজস্ব প্রতিবেদক।।
    বরগুনা জেলাধীন,পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া বাজার এবং রায়হানপুর ইউনিয়নের সংযোগ খালে এক সময়ে নৌকা ট্রলার চলত ফসলী জমিতে পানির প্রয়োজন হলে কৃষকরা পানি তাদের নিজেদের সুবিদা মত উঠাতে নামাতে পারত। এ খালের উপর নির্ভর করে রায়হানপুর,লেমুয়া খাসতবক, কালির খাল এবং এরসাথে সংশ্লিষ্ট আরও কিছু এলাকার আবাদি জমির ভাগ্য নির্ধারণ হত কৃষকের ঘরে গোলা ভরে ফসল আসত হাসিখুশিতে মাতোয়ারা থাকত তারা আজ তাদের সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়। এই খালের উপর নির্ভর করে খালের দুই পাড়ের মানুষ তাদের নিত্য দিনের কাজ কর্ম সেরে ফেলত আজ তারা তা পারছে না কারন খালটি শুকিয়ে সমতল ভূমিতে পরিনত হয়েছে, এইখালটি সাথে নদীর একটা নামে মাত্র স্লুইস রয়েছে যা দিয়ে প্রয়োজনীয় পানি সম্প্রসারিত হয় না। যার ফলে পানির মৌসুমে জলাবদ্ধতা সৃস্টি হয় এবং খড়ার মৌসুমে প্রচুর খড়ার সৃষ্টি হয় তাই এই খালের দুই পাড়ের বাসিন্দারা “দৈনিক সময়ের কন্ঠ” বলে যাতে এই খালটির স্লুইসগেট বড় করা হয় জোয়ার ভাটার অবস্থা পূর্বের ন্যায় ফিরে আসে তাহলে তারা উপকৃত হবে।
আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পুরাতন ভারানী খাল এখন যেন সমতল ভূমি

আপডেট টাইম : ০৩:০৪:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • নিজস্ব প্রতিবেদক।।
    বরগুনা জেলাধীন,পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া বাজার এবং রায়হানপুর ইউনিয়নের সংযোগ খালে এক সময়ে নৌকা ট্রলার চলত ফসলী জমিতে পানির প্রয়োজন হলে কৃষকরা পানি তাদের নিজেদের সুবিদা মত উঠাতে নামাতে পারত। এ খালের উপর নির্ভর করে রায়হানপুর,লেমুয়া খাসতবক, কালির খাল এবং এরসাথে সংশ্লিষ্ট আরও কিছু এলাকার আবাদি জমির ভাগ্য নির্ধারণ হত কৃষকের ঘরে গোলা ভরে ফসল আসত হাসিখুশিতে মাতোয়ারা থাকত তারা আজ তাদের সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়। এই খালের উপর নির্ভর করে খালের দুই পাড়ের মানুষ তাদের নিত্য দিনের কাজ কর্ম সেরে ফেলত আজ তারা তা পারছে না কারন খালটি শুকিয়ে সমতল ভূমিতে পরিনত হয়েছে, এইখালটি সাথে নদীর একটা নামে মাত্র স্লুইস রয়েছে যা দিয়ে প্রয়োজনীয় পানি সম্প্রসারিত হয় না। যার ফলে পানির মৌসুমে জলাবদ্ধতা সৃস্টি হয় এবং খড়ার মৌসুমে প্রচুর খড়ার সৃষ্টি হয় তাই এই খালের দুই পাড়ের বাসিন্দারা “দৈনিক সময়ের কন্ঠ” বলে যাতে এই খালটির স্লুইসগেট বড় করা হয় জোয়ার ভাটার অবস্থা পূর্বের ন্যায় ফিরে আসে তাহলে তারা উপকৃত হবে।