ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::

কিশোরগঞ্জে বড় ভাইকে খুন করে কারাগারে, সেখানেই হাজতির মৃত্যু

সময়ের কন্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : ০১:৪৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১
  • / ২৮৩ ৫০০০.০ বার পাঠক

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার কিশোরগঞ্জ ॥ জেলা কারাগারে শামসুল মুসলিমীন মতি ওরফে কেজি মতি (৫৫) নামে এক হাজতি মারা গেছেন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কারাগার থেকে সোমবার সকালে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মারা যাওয়া হাজতি কেজি মতি জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙ্গালিয়া চরটেকী গ্রামের হারুন অর রশীদের ছেলে। বড় ভাইকে খুন করার অভিযোগে পাকুন্দিয়া থানায় দায়ের করা একটি মামলার আসামি হিসেবে ২০১৯ সালের ২৪ আগস্ট থেকে তিনি কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মোঃ বজলুর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাজতি শামসুল মুসলিমীন মতি ওরফে কেজি মতি বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তাকে গত ২৮ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে রিলিজ দেওয়ার পর থেকে তিনি কারা হাসপাতালে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিন্তু হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোমবার ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাজতির মৃত্যুর বিষয়টি পরিবারের লোকজনদের জানানো হয়েছে বলে জেল সুপার বজলুর রশীদ জানিয়েছেন।

কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক (তত্ত্বাবধায়ক) ডাঃ মোঃ হেলাল উদ্দিন জানান, হাসপাতালে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক শামসুল মুসলিমীন মতি ওরফে কেজি মতি নামের ওই হাজতিকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

আরো খবর.......

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কিশোরগঞ্জে বড় ভাইকে খুন করে কারাগারে, সেখানেই হাজতির মৃত্যু

আপডেট টাইম : ০১:৪৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১

সময়ের কন্ঠ রিপোর্টার কিশোরগঞ্জ ॥ জেলা কারাগারে শামসুল মুসলিমীন মতি ওরফে কেজি মতি (৫৫) নামে এক হাজতি মারা গেছেন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কারাগার থেকে সোমবার সকালে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মারা যাওয়া হাজতি কেজি মতি জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙ্গালিয়া চরটেকী গ্রামের হারুন অর রশীদের ছেলে। বড় ভাইকে খুন করার অভিযোগে পাকুন্দিয়া থানায় দায়ের করা একটি মামলার আসামি হিসেবে ২০১৯ সালের ২৪ আগস্ট থেকে তিনি কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মোঃ বজলুর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাজতি শামসুল মুসলিমীন মতি ওরফে কেজি মতি বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তাকে গত ২৮ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে রিলিজ দেওয়ার পর থেকে তিনি কারা হাসপাতালে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিন্তু হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোমবার ভোরে অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাজতির মৃত্যুর বিষয়টি পরিবারের লোকজনদের জানানো হয়েছে বলে জেল সুপার বজলুর রশীদ জানিয়েছেন।

কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক (তত্ত্বাবধায়ক) ডাঃ মোঃ হেলাল উদ্দিন জানান, হাসপাতালে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক শামসুল মুসলিমীন মতি ওরফে কেজি মতি নামের ওই হাজতিকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।